ফরিদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অস্ত্র প্রদর্শন: দুই দিনেও শনাক্ত নয় যুবক, দু’টি মামলা

সময়ের প্রবাহ:

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পিস্তলসদৃশ বস্তু প্রদর্শনকারী যুবকের পরিচয় দুই দিনেও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। শুক্রবার বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মিছিল মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দোকানপাট ভাঙচুর, ১০টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া এবং তিন পুলিশসহ অন্তত ২৩ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে এক যুবক ব্যাগ থেকে অস্ত্রসদৃশ বস্তু বের করতে দেখা যায়। স্থানীয়ভাবে তাঁকে শাহ মো. জাকারিয়া কাজী (২৫) বলে শনাক্ত করা হলেও পুলিশ এখনো তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। ওসি জানান, ভিডিও–ছবি দেখে তদন্ত চলছে, শনাক্ত হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাকারিয়া ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেননি—এ দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও মনোনয়নপ্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। বিপরীতে শামসুদ্দীন মিয়া অভিযোগ করেন—নাসিরুলপন্থী সমর্থকদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ও শামসুদ্দীন মিয়াকে আসামি করে দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় সাবেক এমপি শাহ মো. আবু জাফরসহ ৩৮ জনকে নামীয় ও ৩০০–৪০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। অপর মামলায় খন্দকার নাসিরুলসহ ১৮৮ জনের নাম রয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

somoyerprobaho - copyright © All rights reserved. | This Site Developed by Arifin Riad