সময়ের প্রবাহ:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির ক্যাডার ও পেশাগত পদে নিয়োগ দেয়। তবে দীর্ঘ পরীক্ষার পরও বহু প্রার্থী চাকরি পান না। ২০১০ সালে নন-ক্যাডার নিয়োগের বিশেষ বিধি চালু হলে বিসিএস উত্তীর্ণরা নবম গ্রেডের ক্যাডার এবং ৯–১২তম গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পেতেন।
৩৪তম থেকে ৪১তম বিসিএসে প্রতি বিসিএসে ২–৪ হাজার প্রার্থী নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ৪৩তম বিসিএসে এই সংখ্যা হঠাৎ কমে ৬৪২ জনে নেমে আসে। মূল কারণ, ২০২৩ সালের নতুন বিধিতে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের চূড়ান্ত ফল একসঙ্গে প্রকাশ করা এবং বিজ্ঞপ্তিতে নন-ক্যাডার শূন্য পদ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ফলে আগের মতো অতিরিক্ত নিয়োগের সুযোগ নেই।
৪৩তম বিসিএসে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০ জন আবেদনকারীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেছেন ৯ হাজার ৮৪১ জন। চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৮০৫ জন, যা মাত্র ০.৪৫–০.৬৫ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে সরাসরি নিয়োগ কমিয়ে নন-ক্যাডার পদ বাড়ানো হলে বিসিএস উত্তীর্ণদের জন্য চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, ফল প্রকাশ দ্রুত হলে প্রার্থীদের অকারণ অপেক্ষা কমবে। বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য থাকলেও সব পদ একসাথে পূরণ করা সম্ভব নয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোল্লা ফারুক হাসান ।। নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাসুদ সরদার।। ই-মেইল : mollafaruk166@gmail.com ।। +88 01766777166
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫